এমসিজিতে ২৭ বছর পর পাঁচ উইকেট কোনো ইংলিশ বোলারের

Date:

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) দীর্ঘ ২৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটালেন জশ টং। বক্সিং ডে টেস্টে ডানহাতি এই পেসার গড়লেন ইতিহাস, এই শতকে এমসিজিতে পুরুষদের টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম ইংলিশ বোলার তিনি।

১৯৯৮ সালের পর এমসিজিতে ইংল্যান্ডের কোনো বোলার পাঁচ উইকেটের দেখা পাননি। বহু কিংবদন্তি এসেছেন, দারুণ সব স্পেল হয়েছে, তবু পাঁচ উইকেটের মাইলফলক ধরা দেয়নি। শেষবার এই কীর্তি গড়েছিলেন ড্যারেন গফ ও ডিন হেডলি। সেই দীর্ঘ অপেক্ষার ইতি টানলেন টং, ডান হাতের ছন্দ, চোখে লক্ষ্য স্থির রেখে, উদ্দেশ্যপূর্ণ বোলিংয়ে।

চতুর্থ টেস্টের প্রথম দিনেই টংয়ের বিধ্বংসী স্পেলে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫২ রানে। ৫/৪৫, এই অসাধারণ বোলিং ফিগারসই এমসিজিতে ইংল্যান্ডের বহুদিনের আক্ষেপ মুছে দেয়। অ্যাশেজ আগেই ধরে রাখলেও স্বাগতিকদের কম রানে আটকে রাখতে টংয়ের অবদান ছিল নির্ণায়ক।

এটি টংয়ের টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা স্পেলও। এর আগে ২০২৩ সালে লর্ডসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫/৬৬ ছিল তার সেরা। এবার এমসিজিতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ভেঙে দেন তিনি। ইনিংসের শেষটা আরও নাটকীয়, মাইকেল নেসারকে (৩৫) ও স্কট বোল্যান্ডকে শূন্য রানে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের মুখে দাঁড়ান টং।

তবে ম্যাচ শেষে প্রশংসা কুড়িয়েও মাটিতেই পা রাখলেন ইংলিশ পেসার। ‘আজ যে কেউই পাঁচ উইকেট নিতে পারত,’ নম্র ভঙ্গিতে বললেন টং।

নিজের সাফল্যের পেছনে দলগত পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক বাস্তবায়নের কথাই তুলে ধরেন তিনি, ‘আমি যখন সেরা ছন্দে থাকি, তখন একটু ফুলার লেংথে বল করি আর পিচে জোরে আঘাত করি। বেন স্টোকস এটা নিয়ে অনেক কথা বলেছেন। কালও যদি একই জায়গায় বল ফেলতে পারি, দ্রুত উইকেট পাওয়া সম্ভব।’

Share post:

Popular

More like this
Related

সৌদি-আমিরাত-কাতার-কুয়েত-বাহরাইনে ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় পাঁচ দেশ...

গোপালগঞ্জে আবাসিক হোটেল থেকে মরদেহ উদ্ধার

গোপালগঞ্জের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ...

বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক

বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যে (যার মধ্যে পাটের সুতা...

৭৫তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় কে হলেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি

এবার ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০২৬’ বিজয়ী হয়েছেন সামানজার সাঈদ।...