‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি কি রাষ্ট্রকে দুর্বল করে, নাকি শক্তিশালী?

Date:

প্রতি বছরের ৯ আগস্ট বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। এটি শুধু একটি প্রতীকী আয়োজন নয়; এটি বিশ্বের প্রায় সাড়ে ৪৭ কোটি আদিবাসী মানুষের অস্তিত্ব, অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নকে সামনে নিয়ে আসে। কিন্তু বাংলাদেশে দিবসটি এলেই একটি পুরোনো বিতর্ক আবারও ফিরে আসে—এই দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ বলা যাবে কি না।

রাষ্ট্রের সরকারি ভাষ্যে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’, ‘জাতিগত সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘উপজাতি’ শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম, মধুপুর, সিলেট, উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী বহু জনগোষ্ঠী নিজেদের পরিচয় দেন ‘আদিবাসী’ হিসেবে। ফলে প্রশ্নটি কেবল ভাষার নয়; এটি পরিচয়, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও মানবাধিকারের প্রশ্ন।

বাংলাদেশে এই বিতর্কের আরেকটি মাত্রা রয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, ‘আদিবাসী’ স্বীকৃতি দিলে বা আদিবাসীরা স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুললে রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাদের এই স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদ’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার কাঠামো কি সত্যিই এমনটি বলে?

উত্তর হলো, না।

আন্তর্জাতিক আইন কী বলে?

আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দলিল হলো ‘ইউনাইটেড ন্যাশনস ডিক্লেয়ারেশন অন দ্যা রাইটস অব ইন্ডিজিনিয়াস পিপলস (ইউএনডিআরআইপি)’, যা ২০০৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। বাংলাদেশও এই ঘোষণাপত্রের পক্ষে ভোট দিয়েছিল।

ইউএনডিআরআইপি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি না হলেও এটি বর্তমানে আদিবাসীদের অধিকার সংক্রান্ত সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য বৈশ্বিক মানদণ্ড।

ঘোষণাপত্রটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি আদিবাসীদের পরিচয় নির্ধারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রের হাতে দেয় না। বরং, জনগোষ্ঠীর নিজের পরিচয় দেওয়ার অধিকারকে মৌলিক নীতি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশও এই নীতিকেই অনুসরণ করে।

অর্থাৎ রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পরিভাষা যাই হোক না কেন, কোনো জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি, পূর্বপুরুষের ভূমির সঙ্গে সম্পর্ক এবং আত্মপরিচয় আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়।

পরিচয়ের প্রশ্নটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অনেকেই মনে করেন, ‘আদিবাসী’ শব্দটি শুধু একটি নাম। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে এটি কেবল একটি পরিভাষা নয়, বিশেষ কিছু অধিকারের সঙ্গে যুক্ত। ইউএনডিআরআইপি আদিবাসীদের ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, ভূমি, ঐতিহ্যগত জ্ঞান, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও নিজস্ব প্রতিষ্ঠান সংরক্ষণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়।

আবার জাতিসংঘের এই দুটি মৌলিক মানবাধিকার চুক্তি ‘ইন্টারন্যাশনাল কোভেনান্ট অন সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটস (আইসিসিপিআর)’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল কোভেন্টান অন ইকোনোমিক, স্যোসিয়াল অ্যান্ড কালচারাল রাইটস (আইসিইএসসিআর)’-এর প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রতিটি মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে।’

এই একটি বাক্যকে ঘিরেই বহু বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বাংলাদেশেও অনেক সময় বলা হয়, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার মানে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের অধিকার। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে না।

স্বায়ত্তশাসন কি বিচ্ছিন্নতা?

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে আত্মনিয়ন্ত্রণ বা সেলফ-ডিটারমিনেশনের দুটি মাত্রা রয়েছে। প্রথমটি ‘ইন্টারনাল সেলফ-ডিটারমিনেশন’। অর্থাৎ, বিদ্যমান রাষ্ট্রের ভেতরেই একটি জনগোষ্ঠী নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষা, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় প্রশাসন নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারবে। দ্বিতীয়টি ‘এক্সটারনাল সেলফ-ডিটারমিনেশন’। এটি সাধারণত উপনিবেশ, বিদেশি দখল বা অত্যন্ত ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

ইউএনডিআরআইপি মূলত প্রথম ধারণাটিকেই সমর্থন করে।

ঘোষণাপত্রের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আদিবাসীরা তাদের অভ্যন্তরীণ ও স্থানীয় বিষয় পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসন বা স্ব-শাসনের অধিকার ভোগ করবে। কিন্তু আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, একই ঘোষণাপত্রের ৪৬ নম্বর অনুচ্ছেদ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে, এই দলিলের কোনো কিছুই কোনো রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক ঐক্য ক্ষুণ্ন করার অধিকার হিসেবে ব্যাখ্যা করা যাবে না। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক আইন নিজেই স্বায়ত্তশাসন ও বিচ্ছিন্নতার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য টেনে দিয়েছে।

তাহলে প্রশ্ন ওঠে, কোনো আদিবাসী জনগোষ্ঠী যদি তাদের ঐতিহ্যগত ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষা কিংবা স্থানীয় শাসনব্যবস্থায় অধিকতর অংশগ্রহণের দাবি তোলে, সেটিকে কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদ বলা যায়?

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর উত্তর হলো ‘না’। বরং এসব দাবি গণতান্ত্রিক আলোচনার অংশ, যা বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যেই বাস্তবায়িত হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত ২৩ (এ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা নেবে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক সাংবিধানিক স্বীকৃতি। তবে এখানেই বিতর্কের সূচনা। কারণ, সংবিধানে ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। এর পরিবর্তে ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ ও ‘নৃগোষ্ঠী’ পরিভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রের এই অবস্থানের পেছনে একটি যুক্তি রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বলা হয়েছে, ‘আদিবাসী’ শব্দটির আন্তর্জাতিক আইনি তাৎপর্য রয়েছে এবং এটি ব্যবহারে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বা আইনগত জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসনের দাবির সঙ্গে এই পরিভাষাকে যুক্ত করে অনেক সময় বিচ্ছিন্নতাবাদের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়।

কিন্তু, আন্তর্জাতিক আইন এই আশঙ্কাকে কতটা সমর্থন করে?

বাস্তবতা হলো, ইউএনডিআরআইপি বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিল কোথাও বলেনি যে আদিবাসীদের স্বীকৃতি মানেই একটি জনগোষ্ঠী স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার পেয়ে যাবে। বরং ঘোষণাপত্রের ৪৬ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই ঘোষণাপত্র কোনো রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক ঐক্য ক্ষুণ্ন করার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক আইন নিজেই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে।

এই বিষয়টি বোঝার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ।

কানাডায় ফার্স্ট নেশনস, ইনুইট ও মেটিস জনগোষ্ঠী সাংবিধানিক স্বীকৃতি পেয়েছে। নিউজিল্যান্ডে মাওরি জনগোষ্ঠীর অধিকার ও ভূমি প্রশ্নে বিশেষ আইনগত কাঠামো রয়েছে। নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডে সামি জনগণের প্রতিনিধিত্বের জন্য সামি পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বলিভিয়া ও ইকুয়েডরের সংবিধানে আদিবাসীদের বহুস্তরীয় স্বীকৃতি রয়েছে। এসব দেশের কোনোটিই আদিবাসীদের স্বীকৃতি দেওয়ার কারণে রাষ্ট্র হিসেবে দুর্বল হয়ে পড়েনি। বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রশ্নটি একই। কোনো জনগোষ্ঠী যদি তাদের ভাষায় শিক্ষা, সাংস্কৃতিক পরিচয়, ঐতিহ্যগত ভূমির সুরক্ষা বা স্থানীয় প্রশাসনে অধিকতর অংশগ্রহণের দাবি তোলে, সেটিকে কি বিচ্ছিন্নতাবাদের সমার্থক হিসেবে দেখা উচিত? একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে উত্তর হওয়া উচিত ‘না’।

অবশ্যই, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যদি প্রকাশ্যে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে বা রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনৈতিক কর্মসূচি দেয়, সেটি ভিন্ন বিষয় এবং তা প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিবেচিত হবে। কিন্তু সাংস্কৃতিক অধিকার, ভাষার অধিকার বা স্থানীয় পর্যায়ে অধিকতর সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোতে বৈধ আলোচনার বিষয়।

এই আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলো আইএলও কনভেনশন নং ১৬৯। বাংলাদেশ এখনো এই কনভেনশন অনুসমর্থন করেনি। তবে এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগণের অধিকার সংরক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। এতে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর ভূমির অধিকার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক না হলেও নীতিনির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হতে পারে।

এখানে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির কথাও উল্লেখ করা প্রয়োজন। ১৯৯৭ সালের এই চুক্তি পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জন্য বিশেষ প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আঞ্চলিক পরিষদ ও ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির মতো বিষয়গুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। অর্থাৎ বাংলাদেশ রাষ্ট্র নিজেই একসময় স্বীকার করেছিল যে, দেশের সব অঞ্চলে একই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা সবসময় সমানভাবে কার্যকর নাও হতে পারে। স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাষ্ট্রের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে নয়, বরং তা টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি উপায় হতে পারে।

আজকের বিশ্বে আদিবাসীদের প্রশ্নটি আর কেবল পরিচয়ের প্রশ্ন নয়। এটি উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের প্রশ্ন। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের জীববৈচিত্র্য সেইসব অঞ্চলে সংরক্ষিত রয়েছে, যেখানে আদিবাসী জনগোষ্ঠী তাদের ঐতিহ্যগত জ্ঞান ও পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা করে আসছে। ফলে তাদের অধিকার নিশ্চিত করা শুধু মানবাধিকারের বিষয় নয়, এটি টেকসই উন্নয়নেরও প্রশ্ন।

বাংলাদেশের উচিত এই বিতর্ককে ‘রাষ্ট্র বনাম আদিবাসী’ দ্বন্দ্ব হিসেবে না দেখে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন’ এর আলোকে বিবেচনা করা। কোনো জনগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া মানেই রাষ্ট্রকে দুর্বল করা নয়। বরং রাষ্ট্রের শক্তি নিহিত থাকে তার বৈচিত্র্যকে ধারণ করার সক্ষমতায়। যে রাষ্ট্র তার নাগরিকদের ভাষা, সংস্কৃতি ও পরিচয়কে মর্যাদা দেয়, সেই রাষ্ট্রই দীর্ঘমেয়াদে আরও স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক হয়।

তাই প্রশ্নটি শেষ পর্যন্ত ‘আদিবাসী’ শব্দটি ব্যবহার করা হবে কি না, সেটিতে সীমাবদ্ধ নয়। আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ কি এমন একটি রাষ্ট্র গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি জনগোষ্ঠী নিজেদের পরিচয় নিয়ে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারবে এবং উন্নয়নের সুফল সমানভাবে ভোগ করতে পারবে? এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে, আমরা বৈচিত্র্যকে ভয় পাই, নাকি সেটিকেই বাংলাদেশের শক্তি হিসেবে গ্রহণ করি।

 

মো. আব্বাস: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক এবং করপোরেট কমিউনিকেশনসে কর্মরত।
[email protected]

Share post:

Popular

More like this
Related

‘বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক এক বিশ্বকাপ’

ভারতের মাটিতে জুনিয়র বিশ্বকাপে অভিষেক আসরেই ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশের...

দেশের সব ভবন ও স্থাপনার সক্ষমতা যাচাইয়ের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

ভূমিকম্পে প্রাণহানি রোধে সরকারকে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ জনসমাগমপ্রবণ উচ্চ...

জাকারবার্গের ভাবনায় ‘সবার জন্য এআই’, প্রতিযোগিতায় মেটার নতুন মডেল

ওপেন সোর্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ওপর বিধিনিষেধ কমানোর...

ঈদ আয়োজনে শাকিব, জয়া, শুভ, মেহজাবীন অভিনীত ৭ সিনেমা

ঈদুল আজহায় চ্যানেল আইয়ের বিশেষ আয়োজনে টানা সাত দিন...